
বাচ্চার বদ নজর লাগলে কী করবেন? সুন্নাহসম্মত চিকিৎসা
সুন্দর, সুস্থ বাচ্চাটা সারাদিন হাসিখুশি ছিল, মেহমান এসে আদর করে “মাশাআল্লাহ কী সুন্দর বাচ্চা” বলে গেলো — আর তারপর থেকেই বাচ্চা কেঁদেই চলেছে, খেতে চাইছে না, ঘুমাতেও পারছে না। এমন

সুন্দর, সুস্থ বাচ্চাটা সারাদিন হাসিখুশি ছিল, মেহমান এসে আদর করে “মাশাআল্লাহ কী সুন্দর বাচ্চা” বলে গেলো — আর তারপর থেকেই বাচ্চা কেঁদেই চলেছে, খেতে চাইছে না, ঘুমাতেও পারছে না। এমন

বিয়ের সম্বন্ধ প্রায় পাকা হয়ে যাওয়ার পরও শেষ মুহূর্তে ভেঙে যাচ্ছে, বছরের পর বছর ভালো প্রস্তাব আসছে তবু কোনো এক অদৃশ্য কারণে সব থমকে যাচ্ছে — আশেপাশের মানুষ বলছে, “মনে

বদনজর লাগার লক্ষণ কী? বদনজরের রুকইয়াহ কীভাবে করবেন? বদনজরের গোসলের নিয়ম কী? এগুলো নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে। ইসলামে বদনজরের বাস্তবতা স্বীকৃত এবং রাসুলুল্লাহ ﷺ বদনজরের ক্ষেত্রে রুকইয়াহ ও গোসলের

নামাজের পর অনেকেই তাড়াহুড়ো করে উঠে পড়েন, অথচ মাত্র কয়েক সেকেন্ডের একটি আয়াত পড়লেই পাওয়া যেতে পারতো অসীম ফজিলত ও সুরক্ষা। “আয়াতুল কুরসী” নামটা প্রায় সবাই শুনেছেন, কিন্তু এর প্রকৃত

সারাদিনের ক্লান্তি নিয়ে বিছানায় গা এলিয়ে দিলেই ঘুম আসে না অনেক সময়, মাথায় ঘুরতে থাকে দিনের নানা চিন্তা। কিংবা ঘুমিয়ে পড়লেও মাঝরাতে দুঃস্বপ্নে ভেঙে যায় ঘুম। অথচ নবীজি (সা.) শিখিয়ে

দিনের শুরুটা কেমন হবে তা নির্ভর করে সকালের প্রথম কাজগুলোর ওপর — অথচ ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল হাতে নিয়ে সময় নষ্ট করে ফেলি আমরা অনেকেই। অথচ নবীজি (সা.) শিখিয়ে গেছেন

“রুকইয়াহ” শব্দটা আজকাল প্রায়ই শোনা যায় — কেউ বলে এটা জিন তাড়ানোর মন্ত্র, কেউ ভাবে এটা এক ধরনের ঝাড়ফুঁক, আবার কেউ কেউ একে ভয়ংকর কোনো আচার মনে করেন। এই বিভ্রান্তির

পরিবারের কেউ একজন হঠাৎ অস্বাভাবিক আচরণ করছে, কথা বলার ধরন পাল্টে গেছে, কখনো কখনো নিজের অজান্তেই এমন কথা বলছে যা তার স্বভাবের সাথে মেলে না — আশেপাশের মানুষ বলছে, “এটা

রাতের পর রাত ঘুম আসে না, কোনো কারণ ছাড়াই শরীর ভেঙে পড়ছে, সংসারে অশান্তি লেগেই আছে — আর আশেপাশের মানুষ বলছে, “তোমার ওপর মনে হয় কালো যাদু করা হয়েছে!” এমন

যাদুর সন্দেহ হলে অনেকেই প্রথমে ছুটে যান পীর-ফকির বা কবিরাজের কাছে, অথচ নিজের ঘরে থাকা কুরআনটাই হতে পারতো সবচেয়ে বড় সমাধান। “কোরআনের ঠিক কোন আয়াত পড়লে যাদু নষ্ট হয়?” —

সংসারে হঠাৎ করেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অকারণ দূরত্ব তৈরি হয়েছে, ভালোবাসা যেন উবে গেছে রাতারাতি। কিংবা সুস্থ-সবল মানুষটা হঠাৎ অস্বাভাবিক আচরণ করছে, কোনো ডাক্তারই কারণ ধরতে পারছে না। এমন পরিস্থিতিতে অনেকের

রাতে ঘুমাতে গেলেই মনে অজানা ভয় কাজ করে? একা ঘরে থাকতে অস্বস্তি লাগে, কিংবা ঘুমের মধ্যে বারবার দুঃস্বপ্ন দেখে ভয়ে ঘুম ভেঙে যায়? অনেকেই এই ধরনের পরিস্থিতিতে জিন থেকে সুরক্ষার