
শিফার দোয়া: নবীজির শেখানো আরোগ্য কামনার আমল
প্রিয়জন অসুস্থ হয়ে বিছানায় শুয়ে আছেন, ওষুধ চলছে, কিন্তু মনটা কিছুতেই স্বস্তি পাচ্ছে না — এমন সময় আল্লাহর কাছে সরাসরি আরোগ্য চাওয়ার একটা তীব্র আকুতি জাগে মনে। নবীজি ﷺ নিজে

প্রিয়জন অসুস্থ হয়ে বিছানায় শুয়ে আছেন, ওষুধ চলছে, কিন্তু মনটা কিছুতেই স্বস্তি পাচ্ছে না — এমন সময় আল্লাহর কাছে সরাসরি আরোগ্য চাওয়ার একটা তীব্র আকুতি জাগে মনে। নবীজি ﷺ নিজে

সংক্ষেপে উত্তর মাথাব্যথা নির্দিষ্ট করে কোনো সহিহ হাদিসে আলাদা দোয়া বর্ণিত হয়নি। তবে শরীরের যেকোনো ব্যথার জন্য নবীজি (সা.) একটি নির্দিষ্ট আমল শিখিয়েছেন — ব্যথার স্থানে হাত রেখে তিনবার “বিসমিল্লাহ”

কখনো কখনো যাদুর সন্দেহে বাড়ির কোথাও সুতা বা কাপড়ে বাঁধা একাধিক গিঁটওয়ালা কোনো বস্তু পাওয়া যায়, আর তখনই মনে প্রশ্ন জাগে — এই “গিঁট” আসলে কী, আর এটি নষ্ট করার

ঘর পরিষ্কার করতে গিয়ে বিছানার নিচে বা আলমারির কোণে হঠাৎ অচেনা কোনো তাবিজ, সুতায় বাঁধা কাগজ বা অজানা বস্তু চোখে পড়লো — এই মুহূর্তে অনেকেই ভয় পেয়ে যান, বুঝতে পারেন

ব্ল্যাক ম্যাজিকের সন্দেহ হলে অনেকেই জানতে চান ঠিক কোন দোয়াটা পড়লে তা নষ্ট হবে, কিন্তু ইন্টারনেটে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য তথ্যের মধ্যে সঠিক আরবি টেক্সট, উচ্চারণ ও অর্থ একসাথে খুঁজে পাওয়া

হঠাৎ বাচ্চা কেঁদেই চলেছে, খাচ্ছে না, ঘুমাচ্ছে না — বা বড়দের ক্ষেত্রে হঠাৎ শরীর ভেঙে পড়েছে, মন খারাপ লাগছে — আর পরিবারের কেউ বলে উঠলেন, “নজর লেগেছে!” এই মুহূর্তে ঠিক

ঘাড়ে-পিঠে দীর্ঘদিনের ব্যথা, মাইগ্রেনের যন্ত্রণা, বা শুধু সারাদিনের ক্লান্তি — এসব নিয়ে অনেকেই হিজামার কথা শোনেন এবং জানতে চান, ঠিক কোন কোন সমস্যায় এটি উপকারী হতে পারে। তবে সাধারণভাবে “হিজামা

শরীরে দীর্ঘদিনের ব্যথা বা ক্লান্তি নিয়ে ওষুধেও পুরোপুরি স্বস্তি না পেয়ে অনেকেই বিকল্প থেরাপির খোঁজ করেন, আর তখনই “হিজামা থেরাপি”র নাম শোনা যায়। কিন্তু এই থেরাপি ঠিক কীভাবে কাজ করে,

দীর্ঘদিন ধরে শরীর ভালো যাচ্ছে না, ওষুধ খেয়েও পুরোপুরি সুস্থতা আসছে না — এমন সময় অনেকেই আধ্যাত্মিক সাহায্যের কথা ভাবেন এবং জানতে চান, রোগের জন্য রুকইয়াহ করলে কি উপকার হবে?

রুকইয়াহ শুরু করার কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ তীব্র ক্লান্তি, ঘুম পাওয়া, মনোযোগ সরে যাওয়া বা আয়াত পড়তে কষ্ট অনুভব হওয়া — এমন অভিজ্ঞতা অনেকেরই হয়, আর তখনই মনে প্রশ্ন জাগে, “এটা

ঘুমের মধ্যে হঠাৎ কি কখনো এমন হয়েছে যে আপনার চোখ খুলেছে, চারপাশের সবকিছু বুঝতে পারছেন, কিন্তু শরীর নড়াতে পারছেন না বা কথা বলতে পারছেন না? বুকের ওপর চাপ অনুভব হচ্ছে,

কখনো কি এমন হয়েছে, আপনি একই চিন্তা বারবার মাথা থেকে সরাতে পারছেন না? নামাজে দাঁড়িয়ে অপ্রয়োজনীয় চিন্তা আসছে, ওজু হয়েছে কি না বারবার সন্দেহ হচ্ছে, অথবা আল্লাহ, দ্বীন কিংবা নিজের