রুকইয়াহতে জ্বীনের বাধা কেন আসে? কারণ ও সমাধান জানুন
রুকইয়াহ শুরু করার কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ তীব্র ক্লান্তি, ঘুম পাওয়া, মনোযোগ সরে যাওয়া বা আয়াত পড়তে কষ্ট অনুভব হওয়া —
রুকইয়াহ শুরু করার কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ তীব্র ক্লান্তি, ঘুম পাওয়া, মনোযোগ সরে যাওয়া বা আয়াত পড়তে কষ্ট অনুভব হওয়া —
ঘুমের মধ্যে হঠাৎ কি কখনো এমন হয়েছে যে আপনার চোখ খুলেছে, চারপাশের সবকিছু বুঝতে পারছেন, কিন্তু শরীর নড়াতে পারছেন না
কখনো কি এমন হয়েছে, আপনি একই চিন্তা বারবার মাথা থেকে সরাতে পারছেন না? নামাজে দাঁড়িয়ে অপ্রয়োজনীয় চিন্তা আসছে, ওজু হয়েছে
অনেকেই প্রশ্ন করেন, “আমার/আমার পরিবারের সমস্যাটা কি সত্যিই জাদুর কারণে, নাকি স্বাভাবিক কোনো সমস্যা?” — এই বিভ্রান্তি দূর করার জন্য
নতুন বাড়িতে ওঠার পর থেকেই কেন যেন সংসারে অশান্তি লেগে আছে, ঘরের কোণে মাঝেমধ্যে অদ্ভুত গন্ধ পাওয়া যায়, রাতে সবাই
হিজামা যে সুন্নাহ তা অনেকেই জানেন, কিন্তু নবীজি (সা.) নিজে ঠিক কবে, কোথায়, শরীরের কোন অংশে হিজামা করাতেন — এই
শরীরে ব্যথা বা ক্লান্তি অনুভব করলে অনেকেই আজকাল হিজামা বা কাপিং থেরাপির কথা শোনেন, আর সাথে সাথে প্রশ্ন জাগে —
ইন্টারনেটে রুকইয়াহ নিয়ে সার্চ করলেই অসংখ্য “আয়াতের তালিকা” পাওয়া যায়, কিন্তু কোনটা সত্যিই হাদিসে প্রমাণিত আর কোনটা শুধু প্রচলিত ধারণা
রুকইয়াহ করতে চান, কিন্তু কোথা থেকে শুরু করবেন বুঝতে পারছেন না? অনেকেই ইউটিউব বা সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা নানা “পদ্ধতি” অনুসরণ
নবী মুহাম্মদ (সা.) নিজে রুকইয়াহ করতেন এবং সাহাবীদেরকেও রুকইয়াহ করার শিক্ষা দিয়েছেন। সহিহ হাদিসের বর্ণনার আলোকে নবী (সা.) নিচের সূরা