নবীজি (সা.) যেভাবে রুকইয়াহ করতেন – ধাপে ধাপে বর্ণনা
রুকইয়াহ নিয়ে অনেকের কল্পনায় ভেসে ওঠে নাটকীয় কোনো দৃশ্য — অথচ ১৪০০ বছর আগে নবীজি (সা.) নিজে ঠিক কীভাবে এই
রুকইয়াহ নিয়ে অনেকের কল্পনায় ভেসে ওঠে নাটকীয় কোনো দৃশ্য — অথচ ১৪০০ বছর আগে নবীজি (সা.) নিজে ঠিক কীভাবে এই
ইন্টারনেটে রুকইয়াহ নিয়ে সার্চ করলেই অসংখ্য “আয়াতের তালিকা” পাওয়া যায়, কিন্তু কোনটা সত্যিই হাদিসে প্রমাণিত আর কোনটা শুধু প্রচলিত ধারণা
রুকইয়াহ করতে চান, কিন্তু কোথা থেকে শুরু করবেন বুঝতে পারছেন না? অনেকেই ইউটিউব বা সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা নানা “পদ্ধতি” অনুসরণ
আজকাল “রুকইয়াহ” শব্দটা শুনলেই অনেকের মাথায় আসে ভয়ংকর কোনো দৃশ্য, চিৎকার-চেঁচামেচি বা রহস্যময় কোনো আচার। অথচ নবীজি (সা.) নিজে যেভাবে
কেউ হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে গেলে আমাদের সমাজে প্রায়ই শোনা যায় — “জ্বীনে নিয়ে গেছে।” কেউ কেউ একে সম্পূর্ণ কুসংস্কার বলে
নবী মুহাম্মদ (সা.) নিজে রুকইয়াহ করতেন এবং সাহাবীদেরকেও রুকইয়াহ করার শিক্ষা দিয়েছেন। সহিহ হাদিসের বর্ণনার আলোকে নবী (সা.) নিচের সূরা
নবজাতক কোলে নিয়ে প্রতিটি মা-বাবার মনে একটাই চাওয়া — সন্তান যেন সব ধরনের বিপদ-আপদ থেকে নিরাপদ থাকে। বয়স বাড়ার সাথে
পেট দেখেই আত্মীয়স্বজন-প্রতিবেশী নানা মন্তব্য করে যান — “ছেলে হবে”, “মেয়ে হবে”, “এত বড় পেট!” — এসব শুনতে শুনতে অনেক
সুন্দর, সুস্থ বাচ্চাটা সারাদিন হাসিখুশি ছিল, মেহমান এসে আদর করে “মাশাআল্লাহ কী সুন্দর বাচ্চা” বলে গেলো — আর তারপর থেকেই
বিয়ের সম্বন্ধ প্রায় পাকা হয়ে যাওয়ার পরও শেষ মুহূর্তে ভেঙে যাচ্ছে, বছরের পর বছর ভালো প্রস্তাব আসছে তবু কোনো এক